দৃষ্টিকোণ

2nd February 2020 কবিতা
দৃষ্টিকোণ


জানলার ধারে ছিলাম বসে,

বাইরে দেখবো বলে।

দৃষ্টি আমার গেছে চলে,

সেকথা গেছি ভুলে।

হঠাৎ বুঝি আমার পাশে,

বসলে তুমি এসে।

"কোথায় যাবেন?" - শুধাও তুমি,

মিষ্টি হাসি হেসে।

ইচ্ছা ছিলো দেখবো তোমায়,

কেমন করে দেখি?

অন্ধ আমি দেইনি ধরা,

তোমায় দিলাম ফাঁকি।

একটু পরেই জমলো আলাপ,

হলো কতোই কথা।

মনের মাঝে জমলো তোমায়,

দেখার আকুলতা।

অবশেষে আসলো স্টেশন,

বিদায় নিলে তুমি।

পাশের সহযাত্রীদের

তখন শুধোই আমি।

"সত্যি !! কতো সুন্দরী উনি,

মিষ্টি ব্যবহার।"

আমার কথায় দীর্ঘশ্বাস

পড়লো তখন সবার।

"সবই ভালো হায় বিধাতা !

রেখেছো করে অন্ধ !!"

এই কথা শুনে ভাঙলো হৃদয়,

কাটলো সকল ছন্দ।

চোখের পরে এবার হলো,

মনের দুয়ার বন্ধ।

অবলীলায় রাখলে গোপন,

মনের দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ।

(Ruskin Bond -এর Eyes Have It

গল্পের অনুকরণে লেখা।)





Others News

আয়েশের পাত্র , কবি - কাজল দত্ত

আয়েশের পাত্র , কবি - কাজল দত্ত


#আয়েশের পাত্র#

#ঘেসো ফুল#

*********************

আমি ছোট্ট একটা চায়ের খুলি,

আমার নাম কটরা।হ্যাঁ, আমাকে

সবাই ওই নামেই চেনে।কেউ কেউ

আবার আদর করে খুলিও বলে।

কুমোরের চাকের গর্ভে আমার জন্ম।

কুমোরের নিপুণ কারিগরিতে তৈরি

আমার নরম তুলতুলে দেহটাকে

রোদে শুকিয়ে, আগুনে পুড়িয়ে পোক্ত

করে তোলার পর, বাজারজাত হই

চায়ের দোকানে।

রোদে,আগুনে পুড়ে পুড়ে অনেক

গরম সইতে পারি,কিন্তু, ঠুনকো

আঘাত সইতে পারি না।তারপর,,,

চা-দোকানি সুন্দর করে চা বানিয়ে

আমাকে পরিপূর্ন করে তুলে দেয়

তোমাদের হাতে।আলতো ভালোবাসার

হাতে তুলে নিয়ে আমার ঠোঁটে ঠোঁট

লাগিয়ে, যখন আয়েশের চুমুক দিতে

থাক,,তখন আমিও খুব আয়েশ মাখি,

উজাড় করে দিতে থাকি সবটাই।তোমরাও

চুমুকের পর চুমুক দিয়ে আমার ভেতরে থাকা

সুস্বাদু চায়ের স্বাদটুকু পান করতে করতে একটা

সময়,শেষ চুমুকের পর, আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দাও

ডাস্টবিনে।তারপর,,, সেখান থেকে জায়গা

হয় কোন এক ভাগাড়ে।

*********************09.08.21******************